Shopping Cart

Total Items:
SubTotal:
Tax Cost:
Shipping Cost:
Final Total:


  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ আলোচ্য গ্রন্থ ‘আর রাহীকুল মাখতূম’ শাইখ আল্লামা সফিউর রহমান মুবারকপুরি কর্তৃক রচিত। সৌদি আরবের সরকারী উদ্যোগে রাবেতা আলম আল ইসলামীর পক্ষ থেকে ১৩৯৬ হিজরী সনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবন-চরিত বিষয়ক গ্রন্থ রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। তিনি সারা বিশ্ব থেকে প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণকারী ১১৮২জন প্রতিযোগীর মধ্যে প্রথম পুরস্কার লাভের এক দুর্লভ গৌরব অর্জন করেন। এ গ্রন্থটি সর্বস্তরের মানুষের নিকট অত্যন্ত সমাদৃত হয়েছে। সকলেই অত্যন্ত প্রশংসা করেছেন গ্রন্থটির। সবচেয়ে নির্ভর যোগ্য তথ্য সম্বলিত নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনী গ্রন্থ হিসেবে ‘আর রাহীকুল মাখতূম’ বিশ্বের বিখ্যাত উলামা ও গবেষকগণের যথেষ্ট প্রশংসা কুড়িয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে এ বইটি আমাদের প্রিয় মাতৃভাষা সহ পৃথিবীর অগণিত জীবন্ত ভাষায় অনুদিত হয়েছে।
    এই গ্রন্থে বিস্তারিত ভাবে যে সকল বিষয় আলোচিত হয়েছে সেগুলো হল:
    • তৎকালীন আরবের ভৌগোলিক, সামাজিক, প্রশাসনিক,​ অর্থনৈতিক ও ধর্মীয় অবস্থা।
    • রবের ধর্ম-কর্ম ও ধর্মীয় মতবাদ।
    • জাহিলিয়াতের সংক্ষিপ্ত বিবরণ।
    • রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামে বংশ পরিচয়, বিবাহ, দাম্পত্য, সন্তান-সন্ততি, তাঁর আবির্ভাব এবং এর পর ঘটনা বহুল পবিত্র জীবনের চল্লিশটি বছর।
    • নুবুওয়াত লাভের পূর্বকালীন সংক্ষিপ্ত চিত্র
    • নবুওয়তী জীবন এবং তার দাওয়াত
    • প্রথম পর্যায়ের মুসলিমগণের ধৈর্য ও দৃঢ়তার অন্তর্নিহিত কারণসমূহ।
    • মক্কা ভূমির বাইরে ইসলামের দাওয়াত প্রদান।
    • ইসরা ও মিরাজ।
    • হিজরত।
    • মাদানি জীবন
    • যুদ্ধ-বিগ্রহ, সন্ধি-চুক্তি।
    • রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা
    • সামাজিক ব্যবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তন।
    এবং তার ইহ লৌকিক জীবন থেকে তিরোধান।
    উম্মুল মুমেনীন আয়েশা (রা:) বলেছেন, আসমানি গ্রন্থ আল-কুরআনই হল রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর চরিত্র। তাঁকে অনুসরণ করা, তাঁর জীবন সম্পর্কে জানা প্রত্যেক মুসলিমের ঈমানী দায়িত্ব। এই বইটিতে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জীবন কাহিনী বিস্তারিত ভাবে আলোচিত হয়েছে। আসুন, আমরা নবীজির জীবনকে জেনে সে অনুসারে নিজেদের গড়ে তুলি।
    You will need adobe reader 7.1 or Higher to read this book. You can download it fromhere . You can download the latest version from here.

    ডাউনলোড/DOWNLOAD [26 MB]

    (RIGHT CLICK ON DOWNLOAD, SAVE LINK AS/TARGET AS)




    Download from mediafire.com
    Download from 4shared.com
    Download English Version
    Download Urdu Version

  • লেখকঃ ডঃ মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব

    প্রকাশনীঃ হাদীছ ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ

    মহান সৃস্টি কর্তা আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত আপন কুদরতে দুনিয়া সৃস্টির পর মানব জাতির প্রতিনিধি সাবস্ত করে হযরত আদম আঃ ও বিবি হাওয়া আঃ যুগলকে দুনিয়াতে অবতীর্ণ করান। মানব জাতির জন্য আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত বিধান সমূহ প্রচার ও প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন স্বীয় অনুগ্রহে হযরত আদম (আঃ) থেকে আখেরী পয়গম্বর হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) পর্যন্ত যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রাসূল আঃ প্রেরন করেন। তাদের মধ্য থেকে মাত্র ২৫ জন নবী-রাসূলগনের নাম আল্লাহ পবিত্র কুরআনে গুরুত্ত্বের সাথে উল্লেখ করেছেন। সত্যের পথে তাঁদের দৃঢ়চিত সংগ্রামের হৃদয়গ্রাহী সংগ্রামের বর্ণনা করে মানবতার সামনে সত্য ন্যায় ও সুন্দরের অনুপম মানদণ্ড উপস্থাপন করেছেন। কোরআনে পাকে বর্ণিত এসব কাহিনী কেবল চিত্ত বিনোদনের খোরাক নয়, বরং এক অবিরাম বিচ্ছুরিত আলোকধারা, যার প্রতিটি কণায় বিকশিত হয় মানবতার সর্বোচ্চ নমুনা। নবী ও রাসূলগণের জীবনালেখ্য জানা ও তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা আমাদের মুসলমানদের অপরিহার্য কর্তব্য। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি বাংলায় নবীগনের বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস খুবই দুর্লভ। তাই বিষয়টির গুরুত্ত্ব উপলব্ধি করে প্রফেসর ডঃ মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব এই মুল্যবান ইতিহাস গ্রন্থটি সঙ্কলন করেন।

    এই বইটির বিশেষত্ব হচ্ছে-
    ঘটনা মূলক বর্ণনা পদ্ধতি মূল বিষয় বস্তু আত্মস্থ করতে শ্রোতা ও পাঠকগণকে খুব দ্রুত আকৃষ্ট করে। মানুষের বিচার-বুদ্ধি, প্রকৃতি ও স্বভাবের উপর এর সফল প্রভাব পরে। ফলে সহজেই ঘটনা হতে শিক্ষা গ্রহণ করা যায় এবং তার উপর আমল করা যায়। এ জন্য রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনেক সময় সাহাবায়ে কেরামদের জন্য ঘটনা মূলক উদাহরণ পেশ করতেন।
    বইটিতে কুরআনের বিভিন্ন স্থানে বর্ণিত ঘটনা ও বক্তব্য সমূহ একত্রিত করে কাহিনীরূপ প্রদান করা হয়েছে। সেই সাথে বিশ্বস্ত তাফসীর,হাদীস ও ইতিহাস গ্রন্থ’ সমূহ থেকেও উদ্ধৃত করা হয়েছে। নবীদের কাহিনীর নামে প্রচলিত কেচ্ছা-কাহিনী ও ইসরাইলী উপকথা সমূহ হ’তে বিরত থেকে সহীহ বর্ণণাসমূহ দ্বারা বইটি সমৃদ্ধ হয়েছে।
    এর সবচেয়ে মূল্যবান সংযোজন হল আম্বিয়া কেরামের জীবনী থেকে বর্তমান বিশ্বের প্রেক্ষাপটে শিক্ষনীয় বিষয় সমূহ তুলে ধরা হয়েছে।

    কুরআনে যে ২৫ জন নবীর(আ) নাম বর্ণণা করা হয়েছে: 

    আদম(আ), নূহ(আ), ইদরীস(আ), হূদ(আ), ছালেহ(আ), ইবরাহীম(আ), লূত(আ), ইসমাঈল(আ), ইসহাক(আ), ইয়াকূব(আ), ইউসুফ(আ), আইয়ূব(আ), শু‘আয়েব(আ), মূসা(আ), হারূণ(আ), ইউনুস(আ), দাঊদ(আ), সুলায়মান(আ), ইলিয়াস(আ), আল-ইয়াসা(আ), যুল-কিফ্ল(আ), যাকারিয়া(আ), ইয়াহ্ইয়া(আ), ঈসা (আ) ও আখেরী নবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। 

    বইটি দুই খণ্ডে সম্মানিত এসকল আম্বিয়া আলাইহিমুস সালামের কাহিনী আলোচনা করা হয়েছে।

    পরিশেষে বলা যায়, “নবী কাহিনী” একটি নির্ভরযোগ্য তথ্যবহুল বই। আশা করা যায়, এর মাধ্যমে পাঠক সমাজ মানবজাতির প্রাচীন ইতিহাসের পাদপীঠে নিজেদের নতুনভাবে মূল্যায়ন করতে সক্ষম হবেন এবং নবীদের(আ) উন্নত জীবনকে উত্তম আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করার প্রেরণা লাভ করবেন।

    আল্লাহতাআলা বলেন : ‘তাদের কাহিনীতে বুদ্ধিমানদের জন্য রয়েছে শিক্ষণীয় বিষয়, এটা কোন মনগড়া কথা নয়, কিন্তু যারা বিশ্বাস স্থাপন করে তাদের জন্যে পূর্বেকার কালামের সমর্থন।‘ [সূরা ইউসুফ : ১১১]।
    “আল্লাহ যার কল্যাণ চান, তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন”। (বুখারী)

    মানব জাতির শেষ্ঠ মানুষ নবীদের(আ) জীবনী পাঠ করি, আল্লাহ আমাদের এই সকল কাহিনী ও ঘটনা থেকে উপকৃত হওয়ার তাওফিক দান করুন, আমিন।

  • লেখকঃ ডঃ মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব

    প্রকাশনীঃ হাদীছ ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ
    আশরাফুল মাখলূক্বাত মানবজাতির কল্যাণে প্রেরিত বিধান সমূহ প্রচার ও প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আল্লাহ স্বীয় অনুগ্রহে আদম (আঃ) থেকে মুহাম্মাদ (ছাঃ) পর্যন্ত যুগে যুগে যে অসংখ্য নবী ও রাসূল প্রেরণ করেছেন, তাঁদের মধ্য থেকে মাত্র পঁচিশজন নবীর নাম আল্লাহ পবিত্র কুরআনে উলেলখ করেছেন এবং সত্যের পথে তাঁদের দৃঢ়চিত্ত সংগ্রামের হৃদয়গ্রাহী কাহিনী প্রয়োজন মত কিছু বর্ণনা করে মানবতার সামনে সত্য, ন্যায় ও সুন্দরের অনুপম দৃষ্টান্ত ও অনুসরণীয় মানদন্ড উপস্থাপন করেছেন। এসব কাহিনী এক একটি অবিরাম বিচ্ছুরিত আলোকধারা, যার প্রতিটি কণায় বিকশিত হয় মানবতার সর্বোচ্চ নমুনা। নবী ও রাসূলগণের জীবনালেখ্য জানা ও তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অপরিহার্য কর্তব্য। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হ’লেও সত্য যে, বাংলাভাষায় এ সম্পর্কে বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস খুবই দুর্লভ।